কলম পাতুরি

ভাবনা আপনার প্রকাশ করবো আমরা

Home » পূজা সংখ্যা ১৪৩০ » প্রবন্ধ » ক্রিড়াপ্রেমী সত্যজিৎ

ক্রিড়াপ্রেমী সত্যজিৎ

ক্রিড়াপ্রেমী সত্যজিৎ প্রবন্ধ – সৌমিক পাহাড়ী

“পাস না অনার্স দাদা? “
“মোহনবাগান”
‘জন অরন্য’ সিনেমার এই বিখ্যাত ডায়লগটির কথা মনে পড়ে?
সত্যজিৎ রায়ের কলকাতা ট্রিলজির অন্যতম এক সেরা সিনেমা,’জন অরণ্য’। সত্তরের দশকের উত্তাল বাংলার
পটভূমিতে তৈরি এই গল্পের চিত্রনাট্য।
সিনেমাটিতে রাজনীতির ছোঁয়া থাকলেও সত্যজিৎ রায়ের ক্রীড়াপ্রেমের সত্ত্বাটিও ছিল অব্যাহত।
আমরা পরিচালক কিংবা লেখক সত্যজিৎ কে ঠিক যতটা চিনি, হয়তো তার থেকেও কম চিনি এক
ক্রিড়াপ্রেমী সত্যজিৎ কে।
আউটডোর এবং ইনডোর দুই প্রকৃতির খেলায় ছিল ওনার সমান দক্ষতা। এমনকি মাঝে মাঝে মাথা খাটিয়ে
নিজেই আবিষ্কার করতেন অনেক নতুন ধরনের ইনডোর খেলা।
ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, বক্সিং এবং আরো অন্যান্য কিছু খেলাগুলির প্রতি ছিল ওনার ভালোলাগা।
প্রথমেই আসা যাক ফুটবল প্রসঙ্গে।
সত্যজিৎ রায় ছিলেন মোহনবাগান টিমের সাপোর্টার। এবং তাই মোহনবাগানের প্রসঙ্গ বারবার উঠে এসেছে
ওনার লেখায় এবং সিনেমায়।
মোহনবাগানের প্রায় কোন খেলাই উনি তেমন মিস করেননি। নিজের কাজের ফাঁকে উনি যেভাবেই
হোক সময় বার করে রাখতেন খেলা দেখার জন্য।
ত্রিশের দশকে কলকাতা ময়দানে ওনার মোহনবাগান- মোহামেডান ডার্বি দেখার অনুভূতিগুলি আমরা জানতে
পারি ওনার স্মৃতিকথা থেকে।
শুধু ‘জন অরণ্য’ সিনেমা নয় ১৯৯১ সালের মুক্তি পাওয়া ওনার শেষ সিনেমা “আগন্তুক” এও ১৯১১ সালের
মোহনবাগান টিমের গৌরব ইতিহাসের প্রসঙ্গ ও উনি তুলে ধরেছিলেন।
ফুটবল খেলার প্রসঙ্গ উঠে এসেছিল ফেলুদার গল্প ‘গোলকধাম রহস্য’ তেও।
সেখানে আমরা দেখতে পাই নীহারবাবুর সেক্রেটারি রনজিৎ বন্দোপাধ্যায় লীগের ইস্টবেঙ্গলের এক বড়ো ম্যাচ
দেখে ফিরেছিলেন। ফেলুদা সেটা ওনাকে দেখেই আন্দাজ করেছিল কারণ ওনার টেরিলিনের শার্টের পকেটে
ছিল খেলার টিকিটের কাউন্টারফয়েল।
ফুটবলের প্রতি প্রেম হলেও সত্যজিৎ রায়ের সম্ভবত প্রিয় খেলা ছিল ক্রিকেট।
আর হবেনা এই বা কেন, কোন পরিবারে উনি জন্মগ্রহণ করেছেন সেটা দেখতে হবে তো !!
‘ডব্লিউ জি গ্রেস অফ বেঙ্গল’ অর্থাৎ সারদারঞ্জন রায় যদি হন সত্যজিৎ রায়ের বড় ঠাকুরদা, তাহলে সেই
পরিবারে যে ক্রিকেটের প্রতি এক আলাদা প্রেম থাকবে সেটা বলাই বাহুল্য। শুধু সারদারঞ্জন নন, ওনার সেজ
ভাই মুক্তিদারঞ্জনও ছিলেন খেলাধুলায় পারদর্শী। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ছোট বোন মৃণালিনীর সন্তান
কার্তিক বসু এবং গণেশ বসু ও ছিলেন রঞ্জিত জয়ী ক্রিকেটার।
এমনকি স্বয়ং সত্যজিৎ রায়ের পিতৃদেব সুকুমার রায় ও ক্রিকেট খুবই ভালোবাসতেন।

সুকুমার রায় তখন বিলেতে গেছেন পড়াশোনার জন্য। সেখানে কাজের ফাঁকে উনি দেখেন
১৯১২ সালের ট্র্যাঙ্গুলার টেস্ট সিরিজের ম্যাচগুলি। সেইসব অভিজ্ঞতার কথা উনি পত্রে লিখে দেশে
পাঠিয়েছিলেন।
অর্থাৎ এর থেকে জানা যায় ক্রিকেটটি ছিল সত্যজিৎ রায়ের রক্তে। সত্যজিৎ রায়ের স্কুলের সহপাঠী শ্রী
প্রসূনকুমার দের স্কুল জীবনের স্মৃতিকথা পড়লে সত্যজিৎ রায়ের ক্রিকেটের উপর পারদর্শিতার কথা জানা যায়
। সেখানে এমনও একটি ম্যাচের বিবরণও পাওয়া যায় যেখানে সত্যজিৎ রায় বড় বড় বাউন্ডারি ও
মেরেছিলেন এবং টিমের মধ্যে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন।
এবারে আসা যাক সত্যজিৎ রায়ের কলেজ জীবনে।
১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৪০, শান্তিনিকেতনে বসে সত্যজিৎ রায় ওনার মা সুপ্রভা রায় কে চিঠি লিখে জানাচ্ছেন যে
জানুয়ারির শীতের ছুটিতে উনি পরিবারের সাথে লখনৌ ঘুরতে যেতে পারবেন না কারণ ওই সময় ৩ থেকে
৫ জানুয়ারি তে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে রয়েছে একটি দুর্দান্ত ক্রিকেট ম্যাচ।
অতএব উনি সেটি মিস করতে পারবেন না।
ম্যাচটি ছিল বেঙ্গল গভর্নরস একাদশ বনাম ভাইসরয় একাদশের মধ্যে। বেঙ্গল গভর্নরস একাদশে খেলেছিলেন
মুস্তাক আলী,ফিরোজ পালিয়া, দিলওয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর খান, সুঁটে ব্যানার্জি এবং টিমটার নেতৃত্বে ছিলেন
সি কে নাইডু। অপরদিকের টিমে ছিলেন পাতিয়ালার মহারাজা যাদবেন্দ্র সিংহ , ভিনু মানকাদ, লালা
অমরনাথ, নাজির আলী, আমির ইলাহি, এবং আরো অন্যান্য অনেকেই।
ম্যাচটি ভাইসরয় একাদশ টিম ৩ উইকেটে জিতে যায়। এই ম্যাচের বিবরণও পাওয়া যায় ওনার চিঠিতে।
সত্যজিৎ রায় নিজেই যে দারুন ক্রিকেট খেলতেন, তার আরো একটি উদাহরণ দেওয়া যাক।
সাল ১৯৫৯,১লা মার্চ, কলকাতা ময়দানে রবিবারের সকালে অনুষ্ঠিত হয় টেকনিশিয়ানস একাদশ বনাম
প্রডিউসার একাদশ এর ক্রিকেট ম্যাচ। সেই দিন মাঠে নেমে সত্যজিৎ রায় ব্যাট এবং বল দুটোই
করেছিলেন। ব্যাটিং এ ১০ রান এবং বল করে দুটি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি সেদিন।
স্রষ্টা যখন এত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারেন তখন তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলিও যে খেলাধুলায় পারদর্শী হবে
সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
ঠিক তেমন ভাবে সত্যজিৎ রায়ের অল্টার ইগো ফেলুদাও যে ছিল এক দুর্ধর্ষ ক্রিকেটার তার প্রসঙ্গ আমরা
পাই ফেলুদার দুটি উপন্যাসে।
ফেলুদা কলেজ লাইফে ছিল স্লো স্পিন বোলার। ‘বাদশাহী আংটি’ তে আমরা জানতে পারি, ১৯৫৮ সালে
ফেলুদা প্রথমবার লাখনাউতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে ম্যাচ খেলতে এসেছিল।
দ্বিতীয়বার ফেলুদার ক্রিকেট খেলার প্রসঙ্গ উঠে এসেছিল ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’ উপন্যাসে।
লালমোহনবাবুকে ফেলুদা তখন জানিয়েছিল বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধে সে একবার ক্রিকেট খেলতে
এসেছিল বেনারসে যদিও বা কোন নির্দিষ্ট সালের উল্লেখ ছিল না উপন্যাসে।
মনে পড়ে ‘বাদশাহী আংটি’ র মহাবীর শেঠ কে ?
হ্যাঁ সেও ছিল দুন স্কুলের ফার্স্ট ইলেভেনের ক্রিকেট প্লেয়ার। উপন্যাসে আমরা দেখতে পাই ফেলুদা এবং
মহাবীর শেঠের কথাতেও ব্র্যাডম্যান এবং রঞ্জিত এর তুলনা উঠে এসেছে।
এরপর ওই কাহিনীতেই আমরা এই দুজনকে ‘ এম্পায়ারস বুক স্টলে’ গিয়ে ক্রিকেট বই এর খোঁজ করতে
দেখি। ফেলুদার সন্ধান করছিল নেভিল কার্ডাসের লেখা ‘ সেঞ্চুরিজ’ বইটি

( যদিওবা তেমন কোন বই আদৌ আছে কিনা, তার সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি) এবং মহাবীর
কিনেছিল ডন ব্র্যাডবানের আত্মজীবনী।
শুধু ফেলুদা নয়, ক্রিকেট খেলতে দেখা গেছে সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট আরো একটি বিখ্যাত চরিত্রকেও।
নামটি হয়তো ইতিমধ্যেই আপনারা আন্দাজ করতে পেরেছেন।
হ্যাঁ, ‘খেলোয়াড় তারিণখুড়ো’ গল্পে আমরা তারিণী চরণ ব্যানার্জিকে দেখেছি ‘ গান এন্ড মূর কোম্পানি’- র
তৈরি ‘জামসাহেব অফ নওয়ানগড়, মহারাজা রঞ্জিত সিংজীর’ ভুতুড়ে ব্যাট নিয়ে মার্তণ্ডপুর ক্রিকেট ক্লাবের
হয়ে ২৪৩ রান করতে, যার মধ্যে ছিল ১১ টা ছক্কা আর ৩১ টা বাউন্ডারি।
ওই গল্পেই আমরা জানতে পারি, তারিনীখুড়ো শুধু ক্রিকেট নয়,ওনার ৬৫ বছর জীবনে উনি প্রায় কোন
খেলাই খেলতে বাদ রাখেননি।
তবে শুধু গল্প, উপন্যাস নয়, আদ্যোপান্ত ক্রিকেটপ্রেমী সত্যজিৎ রায় ক্রিকেটের প্রসঙ্গ তুলে এনেছিলেন ওনার
সিনেমার মাধ্যমেও।
সে ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ সিনেমায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট ম্যাচের স্কোরের আলোচনা , মেমোরি গেমে ড্রন
ব্র্যাডম্যানের নাম নেওয়াতেই হোক কিংবা ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ সিনেমাতে ইন্দ্রনাথ রায়ের ( ছবি বিশ্বাস) যৌবনের
ক্রিকেট খেলার গল্পেতেই হোক, ক্রিকেট সবেতেই ছিল।
হয়তো সত্যজিৎ রায়ের মনের কথাই সেদিন উঠে এসেছিল ইন্দ্রনাথ রায়ের সংলাপের মধ্যে দিয়ে–
” ক্রিকেট খেলা তে আছে একটা এলিগেন্স, আছে একটা পলিশ। “
ক্রিকেট, ফুটবল বাদেও সত্যজিৎ রায় টেনিস খেলা দেখতেও ভালোবাসতেন।
বিজয়া রায়ের ‘ আমাদের কথা ‘ বইটি পড়লে জানা যায় যে ১৯৭৫ সালে নেতাজি ইন্দোর স্টেডিয়ামে
টেবিল টেনিসের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ দেখার জন্য সত্যজিৎ রায় টিভি কিনেছিলেন।
১৩৯৭ বঙ্গাব্দের (১৯৯০ সাল) শুকতারা শারদীয়াতে প্রকাশিত সত্যজিৎ রায়ের লেখা ছোট গল্প
‘অক্ষয়বাবুর শিক্ষা’ পড়লে আমরা বুঝবো যে শেষ বয়সে এসেও সত্যজিৎ রায় টেনিস খেলার খবর রাখতেন।
গল্পে আমরা দেখতে পাই একদিন রাত্রে খাবার টেবিলে বসে অক্ষয়বাবু তার ছেলে অঞ্জন কে জিজ্ঞেস করছেন
,
” বেকার, লেন্ডন ম্যাকেনরো, এই তিনজনের মধ্যে তোর মতে কে শ্রেষ্ঠ? “
প্রত্যুত্তরে ওনার ছেলে বলে ,” ম্যাকেনরো, তারপর বেকার, তারপর লেন্ডন।”
সম্প্রতি এও জানা গেছে, সত্যজিৎ পুত্র সন্দীপ রায় ওনার পিতার কাজের ঘরের থেকে তিনটি ত্রিশের
দশকের ডায়েরি খুঁজে পেয়েছেন। সেখানে রয়েছে সত্যজিৎ রায়ের নিজের হাতে লেখা নানান খেলার স্কোর
এবং বিভিন্ন ম্যাচগুলির বিবরণ।
অর্থাৎ এর থেকে বোঝা যায়, সত্যজিৎ রায় ছোট থেকেই ছিলেন খেলাপ্রেমী।
আউটডোর গেমের পাশাপাশি উনি নিজে ইনডোর খেলা গুলিও খেলতে খুব পছন্দ করতেন।
দাবা, স্ক্রাবেল, তাস এসমস্ত খেলাই ছিল ওনার নখদর্পণে।
আউটডোর শুটিং এর মাঝে সময় কাটানোর জন্য, বিভিন্ন সময়ে অভিনেতা এবং টেকনিশিয়ান্সদের সঙ্গে
সত্যজিৎ রায় খেলতেন এই সব খেলা।
এমনই এক ঘটনার কথা জানা যায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এর স্মৃতিকথাতে।

তখন ‘ অরণ্যের দিনরাত্রি’ শুটিং চলছে। সবাই অপেক্ষারত মেঘলা আবহাওয়ার জন্য কারণ ওই সময়ে শুট
হবে মেমোরি গেমের দৃশ্যটা অথচ মেঘের দেখা নেই। ঠিক এমন সময়ে সত্যজিৎ রায় সবাইকে শেখালেন
‘টুয়েন্টি কোশ্চেনস’ এর খেলাটা।
একজন কোন নাম বা জিনিসের কথা ভাববে এবং অপরজনকে কুড়িটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে ওই নামটা
আইডেন্টিফাই করতে হবে। উত্তর হবে কেবল ‘ হ্যাঁ’ বা ‘না’ তে।
আসলে খেলাটা খেলতে হবে বুদ্ধি এবং জ্ঞান দিয়ে।
সেই মুহূর্তে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ভেবেছিল টেরোডাকটাইল পাখির কথা এবং সেটা সত্যজিৎ রায় ১৮ টি প্রশ্ন
জিজ্ঞেস করেই ধরে ফেলেছিলেন।
শোনা যায় ছোটবেলা থেকেই সত্যজিৎ রায় এমন সব নানান খেলা খেলতেন। পিসির বাড়িতে যখন ছুটিতে
যেতেন, তখন নলিনী দাস অর্থাৎ সত্যজিৎ রায়ের নিনিদির সঙ্গে খেলতেন এমন সব খেলা।
যেমন একটা খেলার নাম ছিল হনোলুলু। খেলাটি ৫-৬ জন মিলে খেলত। প্রথম তিনজন মিল রেখে তিনটা
লাইন বলবে এবং চতুর্থ জন বলবে
“হনোলুলু প্যা প্যা প্যা প্যা ” ।
এটার যে কি মাথা মুন্ডু ছিল তারাও জানতেন না কিন্তু খেলতেন মনের আনন্দে। এ ছাড়াও গল্প লেখা
খেলা, ফল ফুলের নাম দিয়ে অদ্ভুত সব খেলা ছিল ওনাদের ভালোলাগার জায়গা। ছোট্ট মানিক কিন্তু সেসব
খেলা গুলি ওর থেকে ৫-৬ বছরের বড় দাদা দিদিদের সঙ্গে বসে সমান তালে খেলতেন।
কে বা জানত তাদের সেই খেলার সঙ্গী ছোট্ট মানিক একদিন এত বড় এক বটবৃক্ষে পরিণত হবে।
হয়তো এতসব অভিজ্ঞতাই তৈরি করেছিল এমন এক মহীরুহকে।
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কথায় –
” একজন মানুষের সামগ্রিক অস্তিত্বের মধ্যেই তার সত্যিকারের পরিচয় লুকিয়ে থাকে, সেদিক থেকে মানিকদা
শুধুই একজন প্রতিভাবান নন, প্রকৃত অর্থে একজন সজীব ও রসিক মানুষ ছিলেন, কখনও পুরনো হননি।”
তথ্যসূত্র:-
১. আমাদের কথা- বিজয়া রায়
২. অদ্বিতীয় সত্যজিৎ – মঞ্জিল সেন
৩. মানিকদার সঙ্গে – সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
৪. সন্দেশ শারদীয়া পত্রিকা ১৪২৭
৫. গল্প ১০১ ( অক্ষয়বাবুর শিক্ষা , খেলোয়াড় তারিণখুড়ো)
৬. ফেলুদা সমগ্র ( গোলকধাম রহস্য, বাদশাহী আংটি, জয় বাবা ফেলুনাথ)

ক্রিড়াপ্রেমী সত্যজিৎ প্রবন্ধ – সমাপ্ত

আপনাদের লেখা আমাদের ওয়েব সাইটে জমা দিতে গেলে, অনুগ্রহ করে আমাদের লেখা-জমা-দিন মেনু-তে ক্লিক করুন ও নিজেকে Author হিসেবে Register করুন এবং আমাদের পরবর্তী আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করুন।

error: Content is protected !!